কেন এই যাত্রা শুরু?
পৃথিবীর সকল জীব তার অস্থিত্ব রক্ষা করতে চাই। কিন্তু পৃথিবীর কোন জীবই অমর নয়। প্রত্যেক জীবই মরণশীল। তাই তারা বংশবিস্তার করে নিজেদের অস্থিত্বের সাক্ষী সরূপ তাদের অনুরূপ জীব পৃথিবীতে রেখে যায়। এভাবেই টিকে আছে জীবজগৎ। কিন্তু মানুষের চিন্তা-ধারণা বংশগতির মাধ্যমে এই পৃথিবীতে রেখে যাওয়া সম্ভব না। চিন্তা-ধারণা পৃথিবীতে রেখে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন কোন মাধ্যমের।
প্রাচীনকালে কোনো মানুষ যদি কোনো গুপ্তধনের সন্ধান জানত তহলে সেটা সে উদ্ধার করার চেষ্টা করত। সে নিজে সেটা উদ্ধার করতে না পারলেও তার উত্তরসূরীর কেউ যেন তা উদ্ধার করতে পারে সে জন্য দিক সমূহের কথা বলে যেত বা নকশা তৈরী করে রাখত। এটা ছিল তাদের তথ্য শেয়ারের মাধ্যম। কিন্তু মানুষ যখন সভ্য হতে শুরু করল তখন তার চেয়ে আরো অনেক সহজতর শেয়ার মধ্যমের আবির্ভাব হলো। কালক্রমে মানুষের চিন্তা-ধারণা কাগজের মধ্যে লিপিবদ্ধ হতে লাগল। সেই লিপিবদ্ধ পাতা কেউ পাঠ করলে তার ধ্যান-ধারণা সে সহজেই বুঝতে পারতো। কিন্তু প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কাগজ নির্ভরশীলতা কমে গেছে। প্রযুক্তি সেই কাগজকে ডিজিটাল কাগজে পরিনত করেছে। আবার ইচ্ছে করলে সেই কাগজকে খুব সহজেই বিশ্বব্যাপী সকল মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। তাই প্রযুক্তির এই উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে যে কেউ তার চিন্তাধারা এ ধরনীতে রেখে যেতে পারে। যা সাধারণ কাগজে বা অন্যান্য মাধ্যমে করা সবার পক্ষে সম্ভব না।
দিনে দিনে মানুষের অনলাইন নির্ভরতা বেড়ে চলেছে। বইয়ের পাতার চেয়ে মানুষ ইন্টারনেটের পাতায় বেশি ঘুরে। কোন কিছু কাউকে জিজ্ঞেস করার আগেই অনেকে সেটা বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনকে জিজ্ঞেস করে ফেলে। কিন্তু এখনো সকল তথ্য অনলাইনে পাওয়া যায় না। সুতরাং অনলাইন পূর্ণ নয়।
তাছাড়া, আগে এসব লিখা ডাইরীতে লিপিবদ্ধ করতাম কিন্তু তা হারিয়ে যাওয়ার, নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতো। যা এখানে নেই। আবার, ডাইরীর সকল লিখা বিশ্বব্যাপী প্রকাশের কোন সুযোগ নেই। যা এখানে আছে। সুতারাং বলতে পারেন এই ব্লগ সাইটটা আমার পাবলিক ডাইরী।
দিনে দিনে মানুষের অনলাইন নির্ভরতা বেড়ে চলেছে। বইয়ের পাতার চেয়ে মানুষ ইন্টারনেটের পাতায় বেশি ঘুরে। কোন কিছু কাউকে জিজ্ঞেস করার আগেই অনেকে সেটা বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনকে জিজ্ঞেস করে ফেলে। কিন্তু এখনো সকল তথ্য অনলাইনে পাওয়া যায় না। সুতরাং অনলাইন পূর্ণ নয়।
ব্লগিং কেন শুরু করলাম?
আমার ধ্যান-ধারণাকে প্রকাশ করার জন্যই আমার এই ব্লগিং যাত্রা শুরু। এর মানে আমি এটা বলছি না যে আমার চিন্তাধারা ভবিষ্যতে কারো কাজে আসবে বা আমার এই ব্লগিং এর মাধ্যমে অনলাইন পূর্ণ হয়ে যাবে। আমি শুধু নিজেকে গড়ে তোলার জন্য এই যাত্রা শুরু করছি। কেননা আমি বিশ্বাস করি, চর্চাই শিক্ষার সর্বোৎকৃষ্ট উপায়।তাছাড়া, আগে এসব লিখা ডাইরীতে লিপিবদ্ধ করতাম কিন্তু তা হারিয়ে যাওয়ার, নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতো। যা এখানে নেই। আবার, ডাইরীর সকল লিখা বিশ্বব্যাপী প্রকাশের কোন সুযোগ নেই। যা এখানে আছে। সুতারাং বলতে পারেন এই ব্লগ সাইটটা আমার পাবলিক ডাইরী।

No comments